এরশাদের এবারের টার্গেট ১৫১ আসনে বিজয়
জাতীয়

এরশাদের এবারের টার্গেট ১৫১ আসনে বিজয়

এরশাদের এবারের টার্গেট ১৫১ আসনে বিজয়সাম্প্রতিক সব স্থানীয় নির্বাচনে এইচএম এরশাদের জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা শোচনীয় পরাজয় বরণ করলেও পার্টির চেয়ারম্যান জানালেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা চান তারা।

এরশাদ বলেছেন, ‘জাতীয় পার্টির এবারের টার্গেট ১৫১’।

আগামী নির্বাচনে ১৫১ আসনে বিজয়ী হয়ে দলকে ক্ষমতায় আনতে সংগঠিত হতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এরশাদ বলেন, ‘আমি যেখানেই যাচ্ছি জাতীয় পার্টি নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখছি, যা আগে কখনো দেখিনি।’

অবশ্য গত এপ্রিলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের তিন সিটি করপোরেশন তার দলের তিন মেয়র প্রার্থী পেয়েছিলেন সাকল্যে ১৩,৬০০ ভোট। অনেক কাউন্সিলর প্রার্থীও এর চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন।

গণতন্ত্রের জন্য ৯০ সালে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছেন দাবি করে এরশাদ বলেন, ‘বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ আমার প্রতি জুলুম করেছেন। আমার স্ত্রী সন্তান এবং দলের নেতা কর্মীদের ওপর জুলুম করেছেন। আমাদের জেলে পাঠিয়েছেন।’

৯১ সাল থেকে শুরু করে ২০০৮ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদগুলোতে গণতন্ত্র চর্চা হয়নি মন্তব্য করে এরশাদ বলেন, প্রতিটি সংসদেই বিরোধী দল ঠিকমতো উপস্থিত ছিল না। একটা সময় গিয়ে দলগুলো পদত্যাগ করেছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন,‘যে গণতন্ত্রের জন্য ক্ষমতা ছেড়ে দিলাম, কোথায় গণতন্ত্র আসলো? কোথায় গেলো গণতন্ত্র?’

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে সাবেক এ রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দেশে এখন কোন গণতন্ত্র চলছে? কার কথা বলার সাহস আছে? কার লেখার সাহস আছে? কেউ কিছু বলতে পারছেন না। এই গণতন্ত্রই দেশে চলছে।’

বিএনপির সংলাপের প্রস্তাব বিষয়ে এরশাদ বলেন, এখন সংলাপের প্রস্তাব দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই বিএনপি। খালেদা জিয়া দেশে ফিরতে পারবেন কিনা তারও ঠিক নেই।’

‘বিএনপি নামের দানব’ সৃষ্টির পেছনে বর্তমান সরকার দায়ী মন্তব্য করে এরশাদ বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনে আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছিলাম। আমাদের প্রতিশ্রুতি মতো আসন দিলে বিএনপি তখন বিরোধী দলের আসনে বসতে পারতো না। আর দেশে ধ্বংসাত্মক রাজনীতিও করতে পারত না।’

দলের কর্মকাণ্ডে রওশন এরশাদের সঙ্গে তার কোনো বিরোধ নেই দাবি করে এরশাদ বলেন, ‘যারা বলছেন এরশাদ-রওশনের মধ্যে মিল নেই, তারা ঠিক বলছেন না। তিনি দলের কর্মকাণ্ডে আছেন, সংসদেও কথা বলছেন।’

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সুনীল শুভ রায়, সাইদুর রহমান টেপা ও এস এম ফয়সাল চিশতী, বাহাউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

সম্মেলন শেষে ভোটের মাধ্যমে মহানগর উত্তরের নতুন কমিটি গঠনের কথা থাকলেও বর্তমান সভাপতি এস এম ফয়সাল চিশতীকে আবারো সভাপতি হিসেবে ঘোষণা দেন এরশাদ।

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *