ইসরাইল-সৌদি আরব ৫ দফা গোপন বৈঠক

২০১৪ সালের শুরু থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইল ও সৌদি আরবের প্রতিনিধিদের মধ্যে ৫ দফা গোপন বৈঠক হয়েছে।

২০১৪ সালের শুরু থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইল ও সৌদি আরবের প্রতিনিধিদের মধ্যে ৫ দফা গোপন বৈঠক হয়েছে।২০১৪ সালের শুরু থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইল ও সৌদি আরবের প্রতিনিধিদের মধ্যে ৫ দফা গোপন বৈঠক হয়েছে। বৈঠকের বিষয়বস্তু অভিন্ন-শিয়া শাসিত ইরানকে প্রতিহত করা।

আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি আরব ইসরাইল রাষ্ট্রের অস্তিত্ব স্বীকার করে না। অন্যদিকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার সৌদি উদ্যোগে সাড়া দেয়নি ইসরাইল।

সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে এ রকম ‘দূরত্ব’ বজায় থাকার মধ্যেই বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে কাউন্সিল অন দা ফরেন রিলেশন্সের একটি অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হন দুটি দেশের দুজন প্রভাবশালী ব্যক্তি।

এদের একজন হলেন প্রিন্স বন্দর বিল সুলতানের সাবেক উপদেষ্টা ও অবসরপ্রাপ্ত সৌদি জেনারেল এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূত আনোয়ার মাজেদ এশকি এবং অন্যজন হলে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ডোর গোল্ড যিনি ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।

তাদের উভয়ের বক্তব্যের মোদ্দা কথা হলো: ইরান মধ্যপ্রাচ্যকে গ্রাস করতে যাচ্ছে এবং একে প্রতিহত করতেই হবে।

গোল্ড ও এশকির ওই বৈঠক কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়।

ইরানের পরমাণু ইস্যুতে ছয় পরাশক্তির সাথে আলোচনা শুরুর পরই সৌদি আরব ও ইসরাইলি কর্মকর্তারা বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।

কারণ ইরানের পরমাণু ইস্যু নিয়ে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত এই দুটি দেশ।

সূত্র জানায়, গত ১৭ মাসে সৌদি আরব ও ইসরাইলি প্রতিনিধিদের মধ্যে ৫ দফা দ্বিপাক্ষিক গোপন বৈঠক হয়েছে। এগুলো অনুষ্ঠিত হয় ভারত, ইতালি ও চেক প্রজাতন্ত্র।

বৈঠকে অংশ নেয়া ইসরাইলি প্রতিনিধি সাবেক ইসরাইলি জেনারেল শিমন শাপিরা বলেন, ‘আমরা আবিস্কার করেছি যে আমাদের সমস্যা অভিন্ন, চ্যালেঞ্জ এক এবং উত্তরও অভিন্ন।’
তিনি জানান, উভয়পক্ষ ইরানকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে ভোঁতা করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে।

তবে শিমন এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে রাজি হননি।

অন্যদিকে এশকি বলেন, ইসরাইল ফিলিস্তিন সংঘাত বন্ধে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আরব শান্তি পরিকল্পনা মেনে না নেয়া পর্যন্ত সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে ‘সত্যিকার সহযোগিতা সম্ভব নয়’।

নব্বইয়ের দশকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্ততায় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থেকেই আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে ইসরাইল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *