ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ২ শতাংশ শুল্ক কমল

ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে।

ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে।ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। সোমবার জাতীয় সংসদে অর্থ আইন, ২০১৫ এর ওপর সংশোধন প্রস্তাব আনেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এ সময় তিনি বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে। বাজেটে এর ওপর ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছিল। যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তাই সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।

ই-কমার্স ব্যবসার ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। জাতীয় সংসদে সোমবার অর্থবিল পাসের আগে সমাপনী বক্তব্যে এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

৪ জুন বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী ই-কমার্স ব্যবসার ওপর ৪ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “অনলাইনে পণ্য এবং সেবার বিক্রয় বা সরবরাহ কার্যক্রম বর্তমানে একটি স্বীকৃত জনপ্রিয় ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বর্তমানে মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি না থাকলেও এ সেবা খাতের সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা মূসক ব্যবস্থায় নেই। এ ধরনের কার্যক্রমকে মূসকের আওতায় সুনির্দিষ্ট করার লক্ষ্যে এর ব্যাখ্যা নির্ধারণসহ ৪ শতাংশ হারে মূসক আরোপের প্রস্তাব করছি।”

ই-কমার্সের ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাবের কারণ হিসেবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে ই-কমার্সের ভূমিকা রয়েছে। তাই ই-কমার্স ব্যবসার ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি।”

অর্থবিলের ওপর আনা সংশোধনী প্রস্তাব আলোচনা শেষে কণ্ঠভোটে পাস হয়।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে ১৫ শতাংশ ভ্যাটের পাশাপাশি মোবাইলের সিম বা রিমকার্ডের মাধ্যমে প্রদত্ত সেবার (টক টাইম, এসএমএস, এমএমএস, ইন্টারনেট প্যাকেজ) ওপর ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

অথচ অর্থবিলের বিভিন্ন দফা সংশোধন প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী শুধু ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর সম্পূরক শুল্ক কমানোর ঘোষণা দেন। ফলে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।

এনবিআরের বাজেট সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, অর্থমন্ত্রী হয়তো মোবাইল সেবার ওপর আরোপিত সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ করার ঘোষণা দিতে গিয়ে শুধু ইন্টারনেটের কথা বলেছেন। পরবর্তীতে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি ঠিক করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *