আলমগীর: বাংলা চলচ্চিত্রের অসাধারন অভিনেতা
বিনোদন

আলমগীর: বাংলা চলচ্চিত্রের অসাধারন অভিনেতা

আলমগীর: বাংলা চলচ্চিত্রের অসাধারন অভিনেতা ফজলে এলাহী
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসের যে ক’জন জীবন্ত কিংবদন্তী আছেন তাঁদের মধ্যে আলমগীর নামটি শীর্ষ তালিকায় থাকা একটি নাম। বাংলা চলচ্চিত্রের এক অসাধারন অভিনেতা ও কোটি কোটি দর্শকের পছন্দের অভিনেতা হিসেবে আজও আলমগীর আছেন ও থাকবেন চিরকাল।

১৯৫০ সালের ৩রা এপ্রিল আলমগীর জন্মগ্রহন করেন । তাঁর পিতার নাম দুদু মিয়া যিনি সেই সময়ের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন । ১৯৫৬ সালে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এর প্রযোজক ছিলেন আলমগীরের পিতা দুদু মিয়া । সেই সুত্রেই সিনেমার সাথে ছোটবেলা থেকেই আলমগীরের পরিবারের জানাশোনা । ‘আমার জন্মভুমি’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে আলমগীর এর বাংলা চলচ্চিত্রে আগমন। এরপর ৭০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ৯০ দশকের প্রথম পর্যন্ত একের পর এক ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন অন্য এক উচ্চতায় । ভারতের হিন্দি চলচ্চিত্রে যেমন বিগম্যান খ্যাত অমিতাভ আছেন আমার কাছে বাংলা চলচ্চিত্রের অমিতাভ বচ্চন হলেন আলমগীর যিনি তাঁর সমসাময়িক অভিনেতাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে পর্দায় দাপুটের সাথে অভিনয় করে গেছেন।

কলেজ পড়ুয়া তরুন ছাত্র, পুলিশ অফিসার, মাস্তান, গ্রাম্য যুবক, সহজ সরল বোকা যুবক, ব্যর্থ প্রেমিক, রাজকুমার, বড় ভাই, পিতাসহ সব ধরনের চরিত্রে আলমগীর ছিলেন সফল। চলচ্চিত্রে আলমগীর এমনই আস্থাশীল ছিলেন যে কিছু পরিচালক শুধু আলমগীর ছাড়া তাদের ছবিতে অন্য কাউকে চিন্তা করতে পারতেন না। এছাড়া স্বাধীন পরবর্তী বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এমন পরিচালক পাওয়া দুঃসাধ্য যার সাথে আলমগীর কাজ করেনি। ৭০ দশকের শেষ প্রান্তে দিলিপ বিশ্বাস পরিচালিত ‘জিঞ্জির’ ছবিতে প্রথম একই ছবিতে নায়করাজ রাজ্জাক ও সোহেল রানার সাথে সমান তালে অভিনয় করে তিনি নিজের অভিনয়ের দক্ষতা দেখিয়ে সবার কাছে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন ।

বাংলা চলচ্চিত্রের নায়করাজ রাজ্জাক তাঁর সমসাময়িক অভিনেতাদের মাঝে আলমগীরের সাথে সবচেয়ে বেশি চলচ্চিত্রে একসাথে কাজ করেছেন। রাজ্জাকের সাথে আশার আলো, কাপুরুষ, কেউ কারো নয়, লাইলি মজনু, স্বামী স্ত্রী, ন্যায় বিচার, অন্ধ বিশ্বাস, সমরসহ আরও অনেক ছবিতে। শুধু রাজ্জাক নয়, নায়ক বুলবুল আহমেদ, জসিম, ওয়াসিম, সোহেল রানা, ইলিয়াস কাঞ্চন, জাফর ইকবাল সবার সাথেই আলমগীরের আছে অসংখ্য দর্শকননন্দিত চলচ্চিত্র। একই সাথে ৯০ দশকের রুবেল, মান্না, সালমান শাহ, ওমর সানিদের সাথেও আছে একাধিক দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্র।

মাল্টিস্টার ধারার চলচ্চিত্রে প্রযোজক পরিচালকদের কাছে আলমগীর ছিলেন অন্যতম পছন্দের অভিনেতা। আলমগীর শুধু চলচ্চিত্রে একজন অভিনেতা হিসেবেই থেমে থাকেননি তিনি একাধারে একজন প্রযোজক, পরিচালক ছিলেন। সেই সময় সকল প্রযোজক ,পরিচালক এর কাছে আলমগীর ছিলেন সবচেয়ে আস্থাশীল ও নির্ভরশীল একজন অভিনেতা ।

সামাজিক অ্যাকশন, পারিবারিক টানাপোড়ন, রোমান্টিক অ্যাকশন। ফোক ফ্যান্টাসিসহ সব ধারাতেই আলমগীর ছিলেন সফল । যার ফলে সব ধরনের চরিত্রে আলমগীর ছিলেন মানানসই। বাংলাদেশের সর্বাধিক (৬৭টি) ছবির পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝনটু পরিচালিত ৪০টি ছবিতেই আলমগীর অভিনয় করেন। শুধু তাই নয় সোনালি যুগের বাংলা চলচ্চিত্রের মাস্টার মেকার এ জে মিন্টু, ক্লাসিক পরিচালক আমজাদ হোসেন, জহিরুল হক, কামাল আহমেদ, শিবলি সাদিক, মোতালেব হোসেন,দেওয়ান নজরুল, আলমগীর কুমকুম, শহিদুল ইসলাম খোকন, কাজী হায়াত, দিলিপ বিশ্বাস,আজিজুর রহমান, ইবনে মিজান , গাজী মাজহারুল আনোয়ার, মোস্তফা মেহমুদ, কাজি জহির, আজহারুল ইসলাম খান , দিলিপ সোম, মতিন রহমান ,আব্দুল্লাহ আল মামুন, কবির আনোয়ার, সাইফুল আজম কাশেমের মতো রথি-মহারথীদের একাধিক চলচ্চিত্র ছাড়াও নুর হোসেন বলাই, মোহাম্মদ হান্নান, সোহানুর রহমান সোহান, মালেক আফসারি, মমতাজুর রহমান আকবর, ইস্পাহানি আরিফ জাহানের মতো ৯০ দশকের পরিচালকদের একাধিক চলচ্চিত্রেও কাজ করেন এই গুণী অভিনেতা। এতেই বুঝা যায় যে আলমগীরের উপর নির্মাতারা কি পরিমান আস্থা রাখতেন।

কলেজ পড়ুয়া তরুন ছাত্র, পুলিশ অফিসার, মাস্তান, গ্রাম্য যুবক, সহজ সরল বোকা যুবক, ব্যর্থ প্রেমিক, রাজকুমার, বড় ভাই, পিতাসহ সব ধরনের চরিত্রে আলমগীর ছিলেন সফল। চলচ্চিত্রে আলমগীর এমনই আস্থাশীল ছিলেন যে কিছু পরিচালক শুধু আলমগীর ছাড়া তাদের ছবিতে অন্য কাউকে চিন্তা করতে পারতেন না। এছাড়া স্বাধীন পরবর্তী বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে এমন পরিচালক পাওয়া দুঃসাধ্য যার সাথে আলমগীর কাজ করেনি। ৭০ দশকের শেষ প্রান্তে দিলিপ বিশ্বাস পরিচালিত ‘জিঞ্জির’ ছবিতে প্রথম একই ছবিতে নায়করাজ রাজ্জাক ও সোহেল রানার সাথে সমান তালে অভিনয় করে তিনি নিজের অভিনয়ের দক্ষতা দেখিয়ে সবার কাছে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন ।

এরপর ৯০ দশকের শুরুতে নায়করাজ রাজ্জাক ও অভিনেত্রী শাবানার সাথে মতিন রহমানের ‘অন্ধ বিশ্বাস’ ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেন । জুটি বেঁধে কাজ করেছেন শাবানা, ববিতা, কবরী, সুচরিতা, অলিভিয়া, রোজিনা, অঞ্জু ঘোষ, দিলারা, দিতি, চম্পা সহ অসংখ্য অভিনেত্রীর সাথে যার মধ্যে আলমগীর-শাবানা জুটি বাংলা চলচ্চিত্রের এক অনন্য রেকর্ড স্থাপন করে ইতিহাস হয়ে আছে। শাবানার সাথে প্রায় দেড় শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে বাংলা চলচ্চিত্রের যে কোন জুটির সর্বাধিক চলচ্চিত্রের রেকর্ড আজো অক্ষুণ্ণ রেখেছেন।

মজার ব্যাপার হলো চিত্রনায়িকা চম্পার সাথে জুটি বেঁধে নিস্পাপ চলচ্চিত্রে যেমন সফল হয়েছিলেন ঠিক তেমনি কাজী হায়াতের ‘দেশপ্রেমিক’ চলচ্চিত্রে চম্পার বাবার চরিত্রেও অভিনয় করে সফল হয়েছিলেন এই অসাধারন অভিনেতা। আবার বুলবুল আহমেদের ‘আকর্ষণ’ চলচ্চিত্রে জাফর ইকবালের সাথে সহ নায়ক হিসেবে যেমন সফল হয়েছিলেন ঠিক তেমনি একই সময়ে দিলিপ বিশ্বাসের ‘অপেক্ষা’ চলচ্চিত্রে জাফর ইকবালের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেও সফল হয়েছিলেন।

৭০ দশকের শেষ প্রান্তে গীতিকার খোশনূর আলমগীর এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হোন। আলমগীর-খোশনূর দম্পতির এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রয়েছে । আলমগীর খোশনূর দম্পতির কন্যা আঁখি আলমগীর (সঙ্গীত শিল্পী) ১৯৮৪ সালে ‘ভাত দে’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। আলমগীর আরও একাধিক ছবির গানে কণ্ঠও দিয়েছিলেন । ১৯৯৮/৯৯ সালে কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লাকে বিয়ে করে আলাদা সংসার গড়েন আলমগীর।

আমার কাছে সিনেমা হলে বাংলা সিনেমা দেখার সোনালি দিনগুলোতে আলমগীর হলেন অসংখ্য ব্যবসাসফল ও দর্শক নন্দিত চলচ্চিত্রের অভিনেতা হিসেবে খুব প্রিয় একজন অভিনেতা বা প্রথম পছন্দের অভিনেতা। আলমগীরের অভিনয় ও সংলাপ বলার ধরন এতোটাই স্মার্ট যে কোন চরিত্রে আলমগীরের অভিনয় আমাকে মুগ্ধ করতো। বলিউডের চলচ্চিত্রে যেমন বিগ-বি খ্যাত একজন অমিতাভ বচ্চন আছেন আমার কাছে আলমগীর হলেন বাংলা চলচ্চিত্রের অমিতাভ বচ্চন।

১৯৮৫ সালে ‘মা ও ছেলে’ ছবির জন্য আলমগীর প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এরপর অপেক্ষা , ক্ষতিপূরণ, অন্ধ বিশ্বাস, মরনের পরে, পিতা মাতা সন্তান, দেশপ্রেমিক ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেন যা ছিল বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের কোন অভিনেতার সর্বাধিকবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পাওয়ার বিরল ও একমাত্র ঘটনা।

এছাড়া আলমগীর ১৯৮৯–৯২ সাল পর্যন্ত একটানা ৪ বার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার (ক্ষতিপূরণ , মরনের পরে, পিতা মাতা সন্তান ও অন্ধ বিশ্বাস) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে এক অনন্য রেকর্ড করেন যা এখনও কেউ ভাঙতে পারেনি । শুধু ১৯৯৩ সাল বাদ দিয়ে ১৯৯৪ সালে কাজী হায়াত এর ‘দেশপ্রেমিক’ ছবির জন্য আবারও শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেন । সর্বাধিক ৭ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কারসহ ২০১০ সালে ‘জীবন মরনের সাথী’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে পুরস্কার নিয়ে সর্বমোট ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন ।

আমার দেখা আলমগীর অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো – আমার জন্মভুমি, দস্যুরানী, মণিহার, দেনা পাওনা, জিঞ্জির, মাটির মানুষ, মধুমিতা, বাসর ঘর, মনিহার,আগুনের আলো, লুটেরা, ঘরের বউ, ভালোবাসা,দিওয়ানা, মেহেরবানু, চণ্ডীদাস রজকীনি, কেউ কারো নয়, কাপুরুষ, আশার আলো,সৎপথে হলো দেখা, আঘাত, ভরসা, লাইলি মজনু, বড় বাড়ির মেয়ে, ঘরের বউ, ছক্কা পাঞ্জা, মধু মালতী, নির্দোষ, মানে না মানা, আওলাদ, আকর্ষণ, মান সম্মান, শ্রীমতী ৪২০ ,বিচ্ছেদ, শশিপুন্না, সোনার নাও পবনের বৈঠা, সাথী, আক্রোশ, মায়ের দোয়া, স্বামীর আদেশ, নানটু ঘোটক, ওস্তাদ সাগরেদ, সবুজ সাথী, প্রতিজ্ঞা, ভাত দে, মা ও ছেলে, হালচাল, অস্বীকার, অপেক্ষা, লাল বেনারসি, ছেলে কার, আওয়াজ, বৌমা, মায়ের দোয়া, সমর, ঘরের সুখ, জেলের মেয়ে, লাখে একটা, ব্যথার দান, জেল হাজত, ভাই আমার ভাই, জলপরী, অবহেলা, স্ত্রীর স্বপ্ন, ন্যায় বিচার, অমরসঙ্গী,অপরাধী, নিস্পাপ, অশান্তি, স্বামী স্ত্রী, সত্য মিথ্যা, বিদায়, বিশ্বাসঘাতক, দোলনা, চেতনা, অমর, ন্যায় অন্যায়,বিসর্জন,বউ শাশুড়ি, ক্ষতিপুরন , রাঙ্গা ভাবী , গরীবের বউ, সান্ত্বনা, ননদ ভাবী, মরনের পরে, অচেনা, অর্জন, গরীবের বন্ধু , অন্ধ বিশ্বাস , ক্ষমা, অবুঝ সন্তান, বাংলার বধূ, পিতা মাতা সন্তান, শাসন, দেশপ্রেমিক, স্নেহ, দুর্জয় , রাক্ষস, নরপিশাচ, অজান্তে সংসারের সুখ দুঃখ, জজ ব্যারিস্টার, রাগ অনুরাগ, ঘাতক , বন্ধন, বুকের ধন, ঘর দুয়ার, বাংলার মা, নির্মম,সত্যবাদী,অগ্নিস্বাক্ষর,কন্যাদান, আসামি বধূ, বিদ্রোহী কন্যা , ঘাতক , স্নেহের বাঁধন, বাপের টাকা, আমি সেই মেয়ে, জীবনের গল্পসহ প্রায় ৩ শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেন আলমগীর।

আলমগীর অভিনীত বিভিন্ন চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় গানগুলোর লিংক
এক চোর যায় চলে [প্রতিজ্ঞা] https://app.box.com/s/4y8gcrzro6yxsv7efxlj

বন্ধু হতে চেয়ে তোমার [মাটির মানুষ] https://www.youtube.com/watch?v=V5SFzNpHWi4

আমার নাম কালু মিয়া [ নান্টু ঘোটক] https://www.youtube.com/watch?v=cu3GcXr47Co

ভালোবাসা যুগে যুগে [ মায়ের দোয়া] https://www.youtube.com/watch?v=aIF0ApXVOm8

কি দিয়া মন কাড়িলা [ অশান্তি] https://www.youtube.com/watch?v=yU5-PWRQtQY

তুই যে আমার মিলন মালারে [ নিস্পাপ] https://www.youtube.com/watch?v=ZpmPwec9SLY

যে দিকে তুমি দেখবে দুচোখে [ স্বামী স্ত্রী] https://www.youtube.com/watch?v=u2o1_sC7jbQ

আমার স্বপ্নে দেখা সেই তোমাকে [ ব্যথার দান ] https://www.youtube.com/watch?v=NOM8CYkmEns

আমার এই ঘর যেন স্বর্গ [ সত্য মিথ্যা ] https://www.youtube.com/watch?v=mHpihNjrP-0

তুমি আরও কাছে আসিয়া [ পিতা মাতা সন্তান] https://www.youtube.com/watch?v=DQgkOH7mrIo

টুটুল বাবার ছেলে [ সান্ত্বনা] https://app.box.com/s/d4f25e73f26caa98d84c

জীবন যেন শুরু হলো [ সান্ত্বনা] https://www.youtube.com/watch?v=NdZG8QV7kks

তুমি আমার কত চেনা [ দোলনা] https://www.youtube.com/watch?v=ysflx14KO38

টেলিফোনে কিছু কথা হলো [ আসামী বধু ] https://www.youtube.com/watch?v=vDWaXPSZZ74

পৃথিবী তো দুদিনেরই বাসা [ মরণের পরে ] https://www.youtube.com/watch?v=l37LbiM-iF8

জীবন যতদিন থাকবে আমার [ বাংলার মা] https://www.youtube.com/watch?v=mqb-i0Abv70

পোস্টার সহযোগিতায়: সানোয়ার শানু

শিরোনাম ডট কম
শিরোনাম ডট কম । অনলাইন নিউজ পোর্টাল Shironaam Dot Com । An Online News Portal
http://www.shironaam.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *