আজীবন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ১৫ উপায়

আজীবন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ১৫ উপায়

706
0
SHARE

আজীবন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ১৫ উপায় বিয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকটা বছর। অফিস-সংসার সামলে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটার জন্যই হাতে সময় কম। বিয়ের পরপরই কাটানো সুন্দর সময়ের স্মৃতি অনেকটাই ফিকে। ব্যস্ত সময়ের তাড়ায় আপনারও কী এরকম অবস্থা? বিবাহিত জীবনের বন্ধন ক্রমশ আলগা হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হলে আপনার জন্য রইল কয়েকটি টিপস। রোজকার জীবনে সামান্য কয়েকটা পরিবর্তন, ব্যস, জাদুমাখা সেই সব দিন ফিরে এল বলে। আজীবন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ১৫ উপায়-

১. যে যার কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান সকাল সকাল। রাতে আবার দেখা। সারাটা দিন তার কেমন কাটল, জিজ্ঞেস করতে ভুলবেন না যেন। আপনার কাছে তার সারা দিন কী ভাবে কেটেছে, এটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা তাকে বুঝতে দিন।

২. দাম্পত্য সম্পর্কে কলহ হবেই। একে সিরিয়াসলি না নিয়ে উপভোগ করুন। ঝগড়া-ঝাঁটি সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। তবে চেষ্টা করবেন, দু-জনে একসঙ্গে মাথা গরম না করতে।

৩. আপনার স্বামী বা স্ত্রী যে ধরনের সিনেমা দেখতে ভালোবাসে তা আপনার পছন্দ হয় না। বা ছুটির দিনে তার পছন্দ অ্যামিউসমেন্ট পার্ক, আর আপনি নাটক দেখতে ভালোবাসেন। ইচ্ছে না হলেও মাঝেমধ্যে ওর সঙ্গে যান না। উনি আপনাকে পাশে পেতে চাইছেন, এই বিষয়টা আপনি নিশ্চয় হারাতে চান না। তবে হ্যাঁ, মাঝেমধ্যে আপনার মতও প্রাধান্য পাবে বৈকি।

৪. জীবন থেকে সারপ্রাইজ হারিয়ে যেতে দেবেন না। আপনার সঙ্গী চকোলেট চিম আইসক্রিম ভালোবাসেন? রাতে মাঝে মাঝে তার পছন্দের ডিশ খাইয়ে অবাক করে দিন। দেখবেন জীবন আবার নতুন ছন্দে বইবে।

৫. অফিস যাওয়া এবং অফিস থেকে ফিরে কিস করতে ভুলবেন না। বেরনোর আগে ছোট্ট একটা চুমু আপনার সারা দিনের সঙ্গী হয়ে উঠতে পারে। ঠিক তেমনই রাতে বাড়ি ফিরে আগে তাকে হালকা করে কিস করে নিন। দেখবেন সারা দিনের ক্লান্তি নিমেষে উধাও।

৬. ছুটির দিনের বিকেলে হাতে কোনও কাজ নেই। প্রিয় বন্ধু ডিনারে ডাকছে। বন্ধুকে না বলে সময় দিন আপনার সঙ্গীকেই। মাঝে মাঝে কোনো কাজ ছাড়াই নিজেরা অলস সময় কাটান। পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে যাবে।

৭. আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পরিবারকে নিজের পরিবারের মতো গুরুত্ব দিন। তার বাবা-মার খোঁজখবর নিন। আপনার সঙ্গীরও ভালো লাগবে। আই লাভ ইউ বলতে ভুলবেন না। এই তিনটি শব্দ বরাবর ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

৮. আপনার স্বামী বা স্ত্রী অসুস্থ হলে তার খেয়াল রাখুন। অসুখ হলে সাধারণত মানুষ মানসিক ভাবেও দুর্বল হয়ে পড়েন। সেই সময় তার যত্ন নিন, আপনার প্রতি তার আস্থা বাড়বে।

৯. আপনার সঙ্গী অফিসে রয়েছেন। এই সময় মোটেই তাকে ঘরের কোনও সমস্যার কথা বলে বিরক্ত করবেন না। কাজের সময় তাকে কাজ করতে দিন। চেষ্টা করুন নিজের সমস্যার সমাধান করার।

১০. আপনার স্বামী বা স্ত্রীকে নিয়ে অন্যের সামনে ঠাট্টা-ইয়ার্কি করবেন না। উনি আপনার জীবনসঙ্গী, আপনার পাঞ্চলাইন নন।

১১. সময়ের কাজ সময়ে শেষ করুন। কোথাও একসঙ্গে যাওয়ার আছে? সময়ের আগেই তৈরি হয়ে নিন। দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে কারোরই ভালো লাগে না।

১২. বিকেলে স্কুলের বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার প্ল্যান আছে? আপনার সঙ্গী জানেন তো? তাকে না জানিয়ে কিছু করবেন না। অযথা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হবে।

১৩. আপনার সঙ্গী ফোন করেছিলেন, খেয়াল করেননি? এখনই ফোন করে খবর নিন। মেসেজ করলেও জেনে নিন, কী হয়েছে। তিনি বুঝবেন যে আপনার কাছে তার গুরুত্ব কতটা।

১৪. কোথাও বেড়াতে গিয়ে ঝগড়া করবেন না প্লিজ। অফিসের ব্যস্ত সময়ের ফাঁকে বেড়াতে যাওয়া এমনিতেই প্রায় হয় না। সেখানে গিয়ে ঝগড়াঝাঁটি করে ভালো সময়টা নষ্ট করলে পরে পস্তাতে হবে।

১৫. কোনো শর্ত নয়। শুধু ভালোবাসার জন্য ভালোবাসুন। দেখবেন জীবনটা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

Comments

comments