অলিম্পিক এক্সেসরিজের আইপিওতে ৬৯ গুণ আবেদন

অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেডের আইপিওতে সর্বমোট ১ হাজার ৩৭২ কোটি ২৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা মোট আবেদনের ৬৮.৬১ গুণ।

অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেডের আইপিওতে সর্বমোট ১ হাজার ৩৭২ কোটি ২৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা মোট আবেদনের ৬৮.৬১ গুণ। প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেডের আইপিওতে সর্বমোট ১ হাজার ৩৭২ কোটি ২৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা মোট আবেদনের ৬৮.৬১ গুণ। বুধবার সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্র মতে, এ কোম্পানির আইপিওতে ব্যাংকের মাধ্যমে সর্বমোট ৯৬৬ কোটি ৫৪ লাখ ১৬ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ২৩ এপ্রিল ২০১৫ পর্যন্ত জমা দিয়েছেন ২ কোটি ৮৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকার আবেদন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সিকিউরিটিজ হাউজের মাধ্যমে ৩৩৭ কোটি ৬৮ লাখ ২১ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) স্টক ব্রোকারের মাধ্যমে জমা পড়েছে ৫৮ কোটি ২০ লাখ ২৫ হাজার টাকার আবেদন । এছাড়াও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে।

অলিম্পিক এক্সেসরিজের আইপিওতে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ১৯ এপ্রিল, রোববার থেকে ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আবেদন করেছেন। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ২ মে পর্যন্ত।

আইপিও’র মাধ্যমে বাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে অলিম্পিক এক্সেসরিজ। এ লক্ষ্যে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যু করবে কোম্পানিটি । যার মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০টি শেয়ারে।

উত্তোলিত অর্থ দিয়ে নতুন ফ্যাক্টরী ভবন তৈরী, মেশিনারীজ ক্রয় এবং আইপিও খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৩৯তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।

৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটিতে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৩ টাকা। আর বছর শেষে শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৬.৩৪ টাকা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইজারি লিমিটেড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *