পরলোকে অভিনেতা শশী কাপুর

পরলোকে অভিনেতা শশী কাপুর

পরলোকে অভিনেতা শশী কাপুর পরলোকে অভিনেতা শশী কাপুর। মুম্বাইয়ের শহরতলির আম্বানিদের কোকিলা বেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে তিনি মারা যান।

মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন আমবানি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন শশী কাপুর। তাঁর স্বজনরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির অসুখে ভুগছিলেন শশী কাপুর। কয়েক বছর ধরে তিনি হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতেন।

শশী কাপুর ২০১১ সালে পদ্মভূষণ ও ২০১৫ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান। শশী কাপুর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আগামীকাল মঙ্গলবার তাঁর শেষকৃত্য হবে।

বলিউডে ‘কাপুর’ পরিবারের অন্যতম একজন শশী কাপুর। তাঁর বাবা পৃথ্বিরাজ কাপুর ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র ও নাটকের অগ্রদূত। শশী কাপুর ছিলেন পৃথ্বিরাজের তিন সন্তানের মধ্যে কনিষ্ঠ। শশী কাপুরের বড় দুই ভাই হচ্ছেন বিখ্যাত অভিনেতা রাজ কাপুর ও শাম্মি কাপুর। তিন ভাইয়ের মধ্যে ১৯৮৮ সালে মারা যান বড় ভাই রাজ এবং ২০১১ সালে মারা যান শাম্মি।

শশী কাপুরের তিন সন্তান; সানজানা, কুনাল ও করণ। স্ত্রী ব্রিটিশ অভিনেত্রী জেনিফার কেনডাল মারা যান ১৯৮৪ সালেই।

শশী কাপুর ২০১১ সালে ভারত সরকারের সম্মাননা ‘পদ্মভূষণ’ লাভ করেন। ২০১৫ সালে তিনি ‘দাদাসাহেব ফালকে অ্যাওয়ার্ডে’ ভূষিত হন। এ ছাড়া তিনি একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

শিশুশিল্পী হিসেবেই শশী কাপুর অভিনয় জীবন শুরু করেন। কয়েক দশকজুড়ে শশী কাপুর ছিলেন বলিউডের প্রভাবশালী অভিনেতা। তাঁর অভিনীত ‘দিওয়ার’ (১৯৭৫), ‘সত্যম শুভম সুন্দরম’ (১৯৭৮), ‘জুনুন’ (১৯৭৮), ‘শান’ (১৯৮০), ‘নমক হালাল’ (১৯৮২) আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ১৯৬১ সালে ‘ধর্মপুত্র’ ছবিতে প্রথমবারের মতো প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন শশী কাপুর।

অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি একাধিক চলচ্চিত্রের সহ-পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। আশির দশকের দিকে তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনাও শুরু করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *