‘অবৈধ অভিবাসী মানুষগুলো মানসিকভাবে অসুস্থ’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “টাকার সন্ধানে অবৈধ পন্থায় পরদেশে পাড়ি দেয়া এই মানুষগুলো মানসিকভাবে অসুস্থ।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “টাকার সন্ধানে অবৈধ পন্থায় পরদেশে পাড়ি দেয়া এই মানুষগুলো মানসিকভাবে অসুস্থ।”প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “টাকার সন্ধানে অবৈধ পন্থায় পরদেশে পাড়ি দেয়া এই মানুষগুলো মানসিকভাবে অসুস্থ। এভাবে তারা মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছে বা তাদের জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। বরং তারা বিদেশে যাওয়ার জন্য যে পরিমাণ অর্থ দালালদের দিচ্ছে তা দিয়ে তারা দেশে কিছু করলে অনেক সুন্দর জীবনযাপন করতে পারতো।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানব পাচারে জড়িতদের পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দালালদের পাশাপাশি যারা অবৈধভাবে বিদেশে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। এভাবে তারা তাদের জীবন বিপদের মধ্যে ঠেলে দেয়ার সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন করছে। আমি মনে করি দালালদের পাশাপাশি ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় অবৈধ পথে বিদেশগামীদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা করলে এ ধরনের প্রবণতা বন্ধ হতে পারে।”

শেখ হাসিনা রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ নির্দেশ দেন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন।

বেআইনী প্রক্রিয়ায় বিদেশ যাওয়া বন্ধে প্রচারণা চালাতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অবৈধ পথে বিদেশে যেতে দালালদের টাকা দেয়ার প্রয়োজন নেই- এজন্য প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। কারণ এভাবে দেশত্যাগ করে তারা বিপদে পড়ছে।”

তিনি বলেন, “যারা সাগরে ভেসে দেশ ছাড়ছে, তারা নিজেরাও জানে না যে তারা কোথায় যাচ্ছে। তাদের মৃতদেহ বনে-জঙ্গলে পাওয়া যাচ্ছে- এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।”

বৈধভাবে বাংলাদেশী শ্রমিকদের বিদেশে যেতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “অবৈধ অভিবাসনে দালালদের বিপুল অঙ্কের অর্থ দেয়ার পরও অবৈধ অভিবাসীরা অনিশ্চিত গন্তব্যে সামিল হচ্ছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সবাই অভাবের তাড়নায় এভাবে দেশ ছাড়ছে, একথা সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে তারা সোনার হরিণের পিছনে ছুটছে। তারা মনে করছে বিদেশে যেতে পারলে তারা অনেক টাকা উপার্জন করবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *